ছবিতে একটি হুইলচেয়ার রাখা আছে। আসনের ওপর মোড়ক, পেছনে সহায়তা প্রকল্পের লেখা। মানুষ ছাড়াও কোনো কোনো বস্তু একটি উদ্যোগের বিষয় স্পষ্ট করে দেয়। এখানে সেটি চলাফেরার জন্য সহায়ক উপকরণ।
হুইলচেয়ার নিয়ে কথা বলতে গেলে ব্যবহারকারীর নিজের মতামত আগে আসা দরকার। কোথায় চলাচল করবেন, ঘরের দরজা দিয়ে ঢোকা যাবে কি না, বাইরে যাওয়ার পথ কেমন—এই অভিজ্ঞতা তাঁরই সবচেয়ে ভালো জানা। উপকরণটি নির্বাচনের কাজে সেই কথাগুলো শোনা জরুরি।

সঠিক উপকরণের পাশাপাশি ব্যবহার শেখা ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থাও ভাবতে হয়। চাকা, ব্রেক বা কোনো অংশে সমস্যা হলে কার কাছে যাবেন, তা জানা থাকা দরকার। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশিক্ষিত সেবাদাতার পরামর্শ নেওয়ার সুযোগও রাখা যায়।
চলাচলের স্বাধীনতা শুধু একটি চেয়ার পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাড়ি থেকে বের হওয়ার পথ, যানবাহনে ওঠার সুযোগ এবং অন্যের সহযোগিতার ধরনও এর সঙ্গে জড়িত। একটি হুইলচেয়ার সেই বড় আলোচনার শুরু হতে পারে।
যাঁর জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে, তিনি যেন সিদ্ধান্তেও অংশ নিতে পারেন। তাঁর পছন্দ, দৈনন্দিন চলাচল এবং পরিচর্যার সুবিধা একসঙ্গে ভাবলে উপকরণটি ব্যবহারযোগ্য হয়। সহায়তার পরিকল্পনা তাঁর নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই শুরু হোক।



